Principal (Acting)
জনাব মোহাম্মদ শেখ সাদী
Principal (Acting)
নদী বিধৌত প্রাকৃতিক দূর্যোগ প্রবণ বৃহত্তর চরপার্বতীর অনগ্রসর ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার নিমিত্তে অত্র এলাকার কৃতি সন্তান জনাব আমানত উল্ল্যা, জনাব সামছুল আলম, জনাব মফিজুর রহমান, ডাঃ বেলায়েত হোসেন, জনাব ছেলামত উল্ল্যা, আবু সাইদ প্রমুখ এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২নং চরপার্বতী ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে চৌধুরীহাট ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্নে সকল স্তরের সার্বিক সহযোগিতাকারী ব্যক্তিবর্গের প্রতি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো মেধা ও প্রতিভা বিকাশের অন্যতম স্থান। সে বিকাশের প্রধানতম কারিগর হল শিক্ষক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান-বিজ্ঞান খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যেম মনুষ্যত্ব ও মেধার সম্প্রসারণ ঘটাতে পারলেই জাগরন ঘটে একটি জাতির। বর্তমান সরকারের সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের ফলে প্রযুক্তি আজ আকাশছোঁয়া। একবিংশ শতাব্দির বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তিতে সম্পৃক্ততা গড়ে তোলা। এরই আলোকে বর্তমান সরকারের শিক্ষা নিয়ে যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়নে চৌধুরীহাট ডিগ্রি কলেজ বদ্ধপরিকর। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আমরা ইতোমধ্যেই শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান প্রক্রিয়া চালু করেছি। এছাড়া বিজ্ঞান ক্লাব, বির্তক ক্লাব, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পরিবেশগত শৃঙ্খ্যলা নিশ্চিত করনে প্রতিষ্ঠানকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামরার আওতাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। এখন থেকে আমাদের ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকমন্ডলী, তাঁদের সকল তথ্য ঘরে বসেই ওয়েবসাইট থেকে পেয়ে যাবেন। ওয়েবসাইটটাতে যে তথ্য ও উপাত্ত থাকবে, তা অবাধে পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করবে এবং আমাদের কাজে স্পষ্টতা, গতিশীলতা , জবাবদিহিতা, সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। সবশেষে সকলের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করি।